যুক্তরাষ্ট্র   বুধবার ১৭ জুন ২০২৬, বুধবার ২ আষাঢ় ১৪৩৩

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে আরও কার্যকর করতে দক্ষতা ও সমন্বয়ের ওপর জোর

এখন বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৪৭ AM

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে আরও কার্যকর করতে দক্ষতা ও সমন্বয়ের ওপর জোর

দক্ষ নেতৃত্ব, সমন্বিত টিমওয়ার্ক এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতের মাধ্যমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার কথা বলেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

মঙ্গলবার নবনিযুক্ত বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যোগদান উপলক্ষে আয়োজিত এক পরিচিতি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের একাধিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা চলছে। এসব আলোচনায় আরও কার্যকরভাবে অংশ নিতে এফটিএ-সংক্রান্ত টিম সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করা হবে। পাশাপাশি নতুন দক্ষ জনবল যুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হলে আরও বড় ও বিশেষায়িত দল প্রয়োজন হবে। সে লক্ষ্য সামনে রেখে দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগী সংস্থাগুলো এ বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মেধাবী ও যোগ্য কর্মকর্তাদের দক্ষতা কাজে লাগানোর পরিবেশ তৈরি করতে হবে। তাঁদের অগ্রগতির পথে অপ্রয়োজনীয় বাধা সৃষ্টি না করে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে নবনিযুক্ত বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, আগামী অর্থবছরের কর্মসূচি এবং পাঁচ বছর মেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, কৃষি, শিল্প, শ্রমসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যেসব বিষয় সংশ্লিষ্ট, সেগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় জোরদার করাও জরুরি।

বিদেশে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক মিশনগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে সচিব বলেন, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী এসব মিশনকে আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও ফলাফলনির্ভর হতে হবে। একই সঙ্গে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে তাদের কর্মদক্ষতা নিয়মিত মূল্যায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আরএস-রাসেল

০ মন্তব্য


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!